Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

সেবার

 

ধরণ

সেবা

 

 

সেবা

 

প্রদান/প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অসুবিধা সমূহ

নাগরিক

 

পর্যায়

সরকারি

 

পর্যায়

 

 

 

 

 

 

 

 

প্রশিক্ষণ

 

 

পিটিআই

 

প্রশিক্ষণ

শিক্ষকদের

 

বছরের জন্য পিটিআই তে প্রশিক্ষণে পাঠালে বিদ্যালয়ে পাঠদানের ব্যাঘাত ঘটেফলে শিশুদের প্রকৃত শিক্ষা অর্জিত হয়না

গুনগত

 

শিক্ষা অর্জিত হয়না

দূর্বল

 

ভিত্তি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার ফলে ঝরে পড়ার হার বাড়ে

প্রাথমিক

 

শিক্ষা চক্র শেষ করতে গড়ে বছরের বেশি সময় লাগছে ফলে দেশ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়ছে

বিষয়

 

ভিত্তিক প্রশিক্ষণ

বিষয়

 

ভিত্তিক দক্ষ শিক্ষক এর অভাব

শিক্ষক

 

স্বল্পতার কারণে একই শিক্ষককে নির্ধারিত বিষয়ের বাইরেও অন্য ক্লাস নেয় লাগে, তখন শিক্ষকের আগ্রহ থাকে না

সকল

 

বিষয়ের প্রশিক্ষণের সময়কাল সমান হওয়ায় গণিত, ইংরেজি ইত্যাদি বিষয়ের প্রশিক্ষণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়

বিষয়

 

ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ না করার ফলে প্রশিক্ষণে সরকারের অর্থ খরচ হচ্ছে আবার প্রশিক্ষণের কারনে সময়ও অপচয় হচ্ছে

বিষয়ের

 

গুরুত্ব অনুযায়ী প্রশিক্ষণের সময় নির্ধারণ না করার ফলে কার্যকর ফল পাওয়া যাচ্ছেনা

প্রশিক্ষণের

 

জন্য নির্ধারিত কোন সময় না থাকার ফলে

শিক্ষকবৃন্দ

 

যেমন সমস্যায় পড়েন তেমনি দাপ্তরিক ভাবেও জটিলতায় পড়তে হয়

এসএমসি

 

, স্লিপ কমিটি, ইত্যাদি প্রশিক্ষণ

কমিটির

 

মাত্র / জন সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয় ফলে প্রশিক্ষণটি কার্যকর হয় না

কমিটিতে

 

শিক্ষিত লোকের আসার ব্যাপারে কোন গাইড লাইন বা বাধ্যবাধকতা নাই ফলে অপেক্ষাকৃদত নিরক্ষর লোকজন সদস্য হয় যারা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে আগ্রহী হয়না

এক

 

কমিটি প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর মেয়াদ শেষ হলে অন্য কমিটি আসে ফলে প্রশিক্ষণের আর কার্যকারীতা থাকে না ফলে

প্রশিক্ষণে

 

অংশগ্রহনকারী অনুসারে বরাদ্দ থাকে ফলেস্থানীয় কমিটির সকল সদস্যকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা যায়না, এতে প্রশিক্ষণ পরবর্তী ফলাফল ভাল হয়না

কমিটির

 

মেয়াদ স্বল্প থাকার ফলে প্রশিক্ষণ লব্ধজ্ঞান দীর্ঘ মেয়াদে প্রয়োগ করা যায়না

কমিটি

 

গঠনে রাজনৈতিক প্রভাব থাকার ফলে সঠিক সেবা পাওয়া যায়না

 

সাব

 

ক্লাস্টার ট্রেনিং

একমাস

 

পরপর অর্থাৎ বছরে বার প্রশিক্ষণ হওয়ায় শিক্ষকদের মাঝে এর গুরুত্ব কমে যায়

প্রশিক্ষণের

 

লিখিত কোন ফলোআপ করার ব্যবস্থা না থাকায় প্রশিক্ষণ টি গুরুত্ব হারাচ্ছে

যথাযময়ে

 

বরাদ্দ না পাওয়ার ফলে প্রশিক্ষণ আয়োজন করা যায়না

একই

 

এইউই্ও বারবার প্রশিক্ষক হিসাবে থাকার ফলে প্রশিক্ষণটির গুরুত্ব কমে যাচ্ছে

উপবৃত্তি

 

বিতরণ

প্রাথমিক

 

শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি

উপবৃত্তির

 

পরিমান ১০০/-১২৫/ টাকা যা বর্তমান আর্থসামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে যথেষ্ট নয় তাছাড়া টাকা নেয়ার জন্য তাদের অনেক দুরের ব্যাংক বা বিতরণ কেন্দ্রে যেতে হয় যা বেশ কষ্টকর

উপবৃত্তির

 

জন্য সুবিধাভোগী পরিবার নির্বাচনের সময় যথাযথ নিয়ম মানা হয়না ফলে প্রকৃত সুবিধাভোগী নির্বাচিত হয়না

অনেক

 

সময় সুবিধাভোগী নির্বাচনের জন্য কমিটি অর্থ আদায় করে

উপবৃত্তি

 

বিতরনের জন্য উপজেলাতে আলাদা কোন জনবল না থাকায় কাজের ব্যাঘাত ঘটে

উপবৃত্তি

 

বরাদ্দ পাওয়ার পর বিতরনের জন্য যথেষ্ট সময় না থাকার কারনে ব্যাংক সুষ্ঠু ভাবে বিতরণ সম্পন্ন করতে পারে না

কমিটি

 

গঠন

এসএসসি

 

, পিটিএ, স্লিপ ইত্যাদি কমিটি

শিক্ষিত

 

লোকের কমিটিতে আসার ব্যাপারে কোন বাধ্যবাধকতা না থাকায় বিদ্যালয়ের গুনগত উন্নয়নে অনেক সময় কার্যকর ভূমিকা রাখতে আগ্রহী হয়না/পারেনা

রাজনৈতিক

 

সম্পৃক্ততা থাকার ফলে কমিটি গঠন প্রভাব মুক্ত হয়না

অনেক

 

সময় সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে সকলের মতামত নেয়া হয়না ফলে জটিলতার সৃষ্টি হয়

কমিটি

 

গঠন প্রক্রিয়ার সাথে কেবল প্রধান শিক্ষক কাজ করায় প্রভাব মুক্ত হতে পারেন না

বিদ্যমান

 

নীতিমালার কারণে রাজনৈতীক প্রভাবমুক্ত কমিটি গঠন সম্ভব হয়না ফলে বিরাট অংশ বিদ্যালয় বিমূখ হয়

ডেপুটেশন

 

প্রদান

সিইনএড

 

, বিএড, এমএড প্রশিক্ষণ

বর্তমানে

 

নিজ জেলার পিটিআই ব্যতীত অন্য জেলার পিটিআইতে শিক্ষকদের ভর্তির জন্য ডেপুটেশন দেয়া হচ্ছে ফলে শিক্ষকগণ সমস্যায় পড়ে

একইভাবে

 

বিএড, এমএড প্রশিক্ষণের জন্য পচ্ছন্দমত প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ না হলে শিক্ষকদের কস্ট হয়

এক

 

বছরের জন্য প্রশিক্ষণে গেলে বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যহত হয়

বিদ্যালয়ে

 

শিক্ষক সংখ্যা কম থাকলে ডেপুটেশন দিতে অসুবিধা হয়

টাইম

 

স্কেল/দক্ষতাসীমা

শিক্ষকদের

 

টাইম স্কেল/দক্ষতাসীমা প্রদান/প্রাপ্তি

টাইম

 

স্কেল/দক্ষতাসীমার সুবিধা প্রাপ্তির জন্য বিগত / বছরের এসিআর দিতে হয় অনেক সময় প্রধান শিক্ষক বা সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বদলী হলে এসিআর সংগ্রহে সমস্যা হয়

অনেক

 

সময় মূলবেতন, টাইম স্কেকেলের ধাপের চেয়ে বেশী হওয়ার পর প্রাপ্ত হন তখন আর আগ্রহ থাকে না

টাইম

 

স্কেল প্রদান প্রক্রিয়ার জন্য অনক সময় পেতে দেরী হয়

টাইম

 

স্কেল প্রদান প্রক্রিয়ার বিদ্যমান ব্যবস্থার কারণে দ্রুত সুবিধা সম্ভব হয়না যেমন উপজেলা টাইমস্কেল কমিটির সভা করে জেলায় পাঠানোর পর নিস্পত্তি হয়

সহকারী

 

শিক্ষকদের ক্ষেত্রে যখন প্রধান শিক্ষক এসিআর দেন তখন সঠিক চিত্র উঠে আসেনা

বিদ্যমান

 

নীতিমালা দীর্ঘ কিন্তু পুরোপুরি কার্যকর নয়

বিদ্যুত

 

বিল এবং ভূমি উন্নয়ন কর

বিদ্যালয়ের

 

বিদ্যুত বিল এবং ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ

বিদ্যুত

 

বিল/ভূমি উন্নয়ন কর প্রধান শিক্ষকদের প্রাথমিক ভাবে নিজে পরিশোধ করতে হয়, পরে অফিস থেকে দেয়া হয় প্রধান শিক্ষক বদলী হলে বিল প্রাপ্তি/প্রদানে জটিলতা হয়

বরাদ্দ

 

কম থাকায় পুরো বছরের বিল অফিস থেকে দেয়া হয় না ফলে প্রধান শিক্ষককে নিজ থেকে শোধ করতে হয়

চাহিদার

 

তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় সকল বিদ্যালয়ে পুরো বছরের বিল শোধ করা সম্ভব হয় না

মেরামত

 

 

বিদ্যালয়ের

 

সংস্কার মেরামত

প্রায়

 

সকল বিদ্যালয়েই প্রতি বছর মেরামত সংস্কারের দরকার হয় কিন্তু সকল বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দ না থাকায় সম্ভব হয়না

প্রয়োজনের

 

তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় সঠিক ভাবে কাজ করা সম্ভব হয়না

বরাদ্দ

 

প্রাপ্তির পর যথেষ্ট সময় না থাকায় কাজের গুনগত মান আশানুরূপ হয় না

প্রয়োজনের

 

তুলনায় নগণ্য পরিমান বিদ্যালয়ে বরাদ্দ আসে

বিদ্যালয়

 

নির্বাচনে অনেক ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের প্রস্তাব/মতামত পুরোপুরি অনসৃত হয়না ফলে বিদ্যালয় নির্বাচন সঠিক হয়না

সকল

 

বিদ্যালয়ে গড়ে সমান পরিমান বরাদ্দ দেয়া হয় ফলে কোন বিদ্যালয়ে কাজ বাকী থাকে আবার কোন বিদ্যালয়ে অপচয় হয়

বদ্লী

 

 

শিক্ষকদের

 

আন্তস্কুল, আন্ত উপজলা, আন্ত জেলা, আন্ত বিভাগ বদলী

বদলীর

 

বর্তমান নীতিমালা মোতাবেক পাঁচ জনের কম শিক্ষক বিশিষ্ঠ বিদ্যালয় হতে সহজে বদলী হওয়া যায়না

জুনিয়র

 

শিক্ষকদের বদলীর ক্ষেত্রে সমস্যা হয় কারণ জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বদলী হয়

বিদ্যমান

 

নীতিমালার কারণে শিক্ষকদের চাহিদা মত বদলী করা সহজ হয়না

বদলীর

 

ক্ষেত্রে রাজনৈতীক প্রভাব থাকার ফলে শিক্ষকদের সমান ভাবে সুবিধা দেয়া যায় না

 

সহকারী

 

শিক্ষকদের পদোন্নতি

পদোন্নতি

 

পেতে দীর্ঘ বছর লেগে যা্ওয়ায় সহকারী শিক্ষকগণ প্র্র্র্র্ধান শিক্ষকের স্কেল অতিক্রম করেন, ফলে পদোন্নতি পেতে আগ্রহী থাকেন না

প্রধান

 

শিক্ষকের দায়িত্বের তুলনায় স্কেল কাঙ্খিত না হওয়ায় পদোন্নতি নিতে আগ্রহী হন না

প্রধান

 

শিক্ষকের বিদ্যমান শূণ্যপদের৩৫% কোটায় সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ হওয়ায় পদোন্নতির সুযোগ সংকুচিত হয়

বর্তমানে

 

প্রধান শিক্ষকের বিদ্যমান শূণ্যপদের ৬৫% কোটায় সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেয়ার বিধান রয়েছে ফলে সকলের পদোন্নতির সুযোগ পেতে সময় লাগে

প্র্র্র্র্ধান

 

শিক্ষকের স্কেল কাঙ্খিত না হওয়ায় অনেকে পদোন্নতি নিতে আগ্রহী হায়না

পদোন্নতি

 

প্রদানের প্রক্রিয়া বেশ জটিল হওয়ায় সেবাটি দিতে দেরী হয়

 

উচ্চতর

 

পরীক্ষায় অংশগ্রহন

অনেক

 

সময় কখন কিভাবে আবেদন করতে হয় না জানার কারনে সেবা প্রাপ্তিতে জটিলতা সৃষ্টি হয়

অনুমতির

 

জন্য প্রবেশপত্র এবং পরীক্ষার রুটিন দাখিল করতে হয় যা সময় মত পাওয়া যায়না ফলে পরীক্ষা দেয়ার ক্ষেতে জটিলতার সৃষ্টি হয়

 

পেনশন

 

 

পেনশন

 

প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনেক প্রকার কাগজপত্র দাখিল করতে হয় যা শিক্ষকের জন্য কিছুটা কষ্টসাধ্য হয়

শিক্ষক

 

তার সার্ভিস বইএর কপি সংরক্ষণ না করায় আনেক সময় জানতে পারেন না কী কী ত্রুটি রয়েছে

সার্ভিস

 

বইতে ঘষামাজা/কাটাকাটি থাকলে বিশেষ করে জন্ম তারিখে ঘষামাজা থাকলে জটিলতা সৃষ্টি হয় এবং কেশ নিষ্পত্তি হতে দেরী হয় সংগত কারনে পেনশনার ভোগান্তির শিকার হন

প্রায়

 

ক্ষেত্রে সার্ভিস বই যাচাই করার সময় অতিরিক্ত উত্তোলন ধরা পড়ে তখন পেনশনার আর্থিক ভাবে তাৎক্ষনিক ঝুকির মধ্যে পড়েন

অনেক

 

সময় বদলী, যোগদান, টাইমস্কেল প্রাপ্তি, শ্রান্তি বিনোদন প্রাপ্তি, দক্ষতা সীমা অতিক্রম, পদোন্নতি ইত্যাদি বিষয়গু্লোর অর্ডার এন্ট্রি দেয়া থাকেনা ফলে পেনশন মঞ্জুরীতে জটিলতা দেখা দেয়